Breaking

Showing posts with label প্রকল্প. Show all posts
Showing posts with label প্রকল্প. Show all posts

Wednesday, 25 February 2026

February 25, 2026

যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে

যুব সাথী এবং ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে একসাথে আবেদন করা যাবে কি | যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে

যুব সাথী এবং ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে একসাথে আবেদন করা যাবে কি | যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে
যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনকারীরা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন?

প্রিয় বন্ধুরা,
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের একাধিক জনকল্যাণমূলক সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের সাধারণ মানুষ নানাভাবে আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন। এর মধ্যেই সম্প্রতি সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে দুটি নতুন প্রকল্প— 'বাংলার যুব সাথী প্রকল্প' এবং 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প'। এই মুহূর্তে বহু আবেদনকারীর মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, "আমরা যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছি, তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর বা ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্যও আবেদন করতে পারব?"

মানুষের মনে এই বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ, যুব সাথী প্রকল্পটি মূলত শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য তৈরি, অন্যদিকে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পটি কৃষিশ্রমিকদের আর্থিক সহায়তার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। দুটি স্কিমই রাজ্য সরকারের, তাই অনেকের মনেই ভয় কাজ করছে যে— একসাথে দুটোতে আবেদন করলে কোনো সমস্যা হবে কি না, বা একটির কারণে অন্যটি বাতিল হয়ে যাবে কি না। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা সরকারি নিয়মকানুন এবং বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই বিষয়টি আপনাদের কাছে পরিষ্কার করার চেষ্টা করব।


যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করলে কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করা যায়?

যাঁরা ইতিমধ্যেই বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে ফর্ম জমা করেছেন, তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে পারবেন কি না, সেই বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি। সরকারি দপ্তর থেকে এই সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট আপডেট এলেই আমরা আপনাদের দ্রুত জানিয়ে দেব।


আমাদের বিশ্লেষণ ও বাস্তব পরিস্থিতি

বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করলে দেখা যায়, যাঁদের ইতিমধ্যে 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পে নাম রয়েছে এবং টাকা পাচ্ছেন, তাঁরাও যুব সাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারছেন। সেই যুক্তি অনুযায়ী বলা যেতে পারে, যাঁরা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন, তাঁদেরও ভূমিহীন ক্ষেতমজুর বা ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদন করার সুযোগ থাকা উচিত।

যদি কোনো ব্যক্তি একইসাথে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করে থাকেন এবং ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের সমস্ত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করেন, তবে নীতিগতভাবে তাঁর দুটি আবেদনপত্রই গ্রহণ করা উচিত। কারণ এই দুটি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য এবং উপভোক্তার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।


দুটি প্রকল্পের উদ্দেশ্যের মূল পার্থক্য

  • যুব সাথী প্রকল্প: এই স্কিমটি রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য। এর মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
  • ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প: এটি সেই সমস্ত কৃষিশ্রমিকদের জন্য, যাঁদের নিজের নামে কোনো চাষযোগ্য জমি নেই এবং যাঁরা পুরোপুরি অন্যের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই স্কিমে বছরে নির্দিষ্ট একটি আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।

একসাথে দুই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা কি পাওয়া যাবে?

বর্তমানে এমন কোনো সরকারি নিয়ম বা গাইডলাইন প্রকাশিত হয়নি যেখানে বলা হয়েছে যে— যুব সাথী প্রকল্পের সুবিধা পেলে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে, অথবা ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নাম থাকলে যুব সাথী বাতিল হবে। একই ব্যক্তির একই সাথে এই দুটি প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়নি


আবেদন বাতিল বা সমস্যা কোথায় হতে পারে?

ভবিষ্যতে আবেদন যাচাইকরণ (Verification) প্রক্রিয়ার সময় সমস্যা তৈরি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ— যদি কোনো শিক্ষিত যুবক আসলে কৃষিকাজের সাথে যুক্ত না হন, কিন্তু শুধুমাত্র অনুদান পাওয়ার লোভে নিজেকে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর হিসেবে দেখিয়ে ভুয়ো তথ্য (Fake Information) প্রদান করেন, তবে সরকারি আধিকারিকদের যাচাইয়ের সময় সেই জালিয়াতি ধরা পড়লে তাঁর আবেদনটি সরাসরি বাতিল (Rejected) করে দেওয়া হবে।


উপসংহার

সংক্ষেপে বলতে গেলে, যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন বলেই যে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করা যাবে না— এমন কোনো সরকারি নির্দেশিকা এখনও জারি হয়নি। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে রাজ্য সরকারের অফিশিয়াল নোটিফিকেশনের ওপর। তাই আমাদের পরামর্শ হলো, যেকোনো প্রকল্পে আবেদন করার আগে সেই প্রকল্পের যোগ্যতার শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে ও যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

⚠️ Disclaimer: এই লেখাটি শুধুমাত্র সাধারণ মানুষদের তথ্য প্রদান ও সচেতন করার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এখানে উল্লেখিত সমস্ত তথ্য বিভিন্ন সরকারি সূত্র, সংবাদমাধ্যম ও প্রচলিত নিয়মের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকার কর্তৃক এই প্রকল্পগুলির কোনো নিয়ম বা নির্দেশিকা পরিবর্তিত হলে তার দায় এই ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ বহন করবে না। যেকোনো প্রকল্পে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা বিজ্ঞপ্তি অবশ্যই নিজে থেকে যাচাই করে নেবেন।

Tuesday, 24 February 2026

February 24, 2026

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Form PDF Download

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Scheme Application Form PDF Download

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Scheme Application Form PDF Download
কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Form PDF

প্রিয় বন্ধুরা,

রাজ্যের কৃষিজীবী মানুষদের চাষের খরচে সাহায্য করতে এবং তাঁদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হলো 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্প। এই স্কিমে যুক্ত হতে গেলে অনেক কৃষককেই অফলাইনে আবেদন করার জন্য 'কৃষক বন্ধু ফর্ম' (Krishak Bandhu Form) ডাউনলোড করতে হয়।

আজকের এই পোস্টে আমরা কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোডের লিঙ্ক শেয়ার করার পাশাপাশি ফর্ম পূরণের সঠিক নিয়ম, আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতি এবং কী কী ডকুমেন্টস লাগবে—তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প আসলে কী?

কৃষক বন্ধু হলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার পরিচালিত একটি কৃষক কল্যাণমূলক স্কিম। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো কৃষকদের চাষাবাদের খরচ জোগাতে আর্থিক সাহায্য করা এবং কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে কৃষক পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান করা। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের বছরে দুটি সমান কিস্তিতে (খরিফ ও রবি মরশুম) সর্বাধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এছাড়াও, কোনো উপভোক্তা কৃষকের অকাল মৃত্যু ঘটলে তাঁর পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।


এই প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ

  • যাঁদের নিজস্ব ১ একর বা তার বেশি চাষযোগ্য জমি রয়েছে, তাঁরা বছরে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন।
  • যাঁদের জমির পরিমাণ ১ একরের কম, তাঁদের আনুপাতিক হারে বছরে ন্যূনতম ৪,০০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।
  • ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে কোনো সুবিধাভোগী কৃষকের মৃত্যু হলে, তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারীকে ২ লক্ষ টাকার ডেথ বেনিফিট দেওয়া হয়।

কৃষক বন্ধু ফর্ম পূরণের নিয়ম (Form Fill-up Process)

অফলাইন ফর্মটি পূরণ করার সময় নিচের বিষয়গুলি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন:

  • ফর্মে নিজের নাম আধার কার্ডের বানান অনুযায়ী একদম নির্ভুলভাবে লিখবেন।
  • টাকা পাওয়ার জন্য আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং IFSC কোড সঠিকভাবে বসাবেন।
  • আপনার নিজস্ব কৃষিজমির পরিমাণ ও রেকর্ডের তথ্য পরিষ্কারভাবে ফর্মে উল্লেখ করবেন।

আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতি

সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ হয়ে গেলে নিচের ধাপে সেটি জমা করতে হবে:

  • প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিপত্রের জেরক্স কপি ফর্মে পিন-আপ করে সংযুক্ত করুন।
  • এরপর সম্পূর্ণ আবেদনপত্রটি আপনার নিকটবর্তী 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি আধিকারিকের দপ্তরে (ADA Office) গিয়ে জমা দিন।
  • জমা দেওয়ার সময় আধিকারিকের কাছ থেকে অবশ্যই রিসিভিং কপি (Acknowledgement Slip) সংগ্রহ করে সযত্নে রেখে দেবেন।

আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?

ফর্ম জমা দেওয়ার সময় নিচের কাগজপত্রের জেরক্স কপি সাথে দেওয়া বাধ্যতামূলক:

  • চাষযোগ্য জমির বৈধ প্রমাণপত্র (যেমন- পর্চা, পাট্টা, বর্গা রেকর্ড কিংবা বনবিভাগের পাট্টা)।
  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড
  • বৈধ ও চালু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবইয়ের প্রথম পাতা অথবা একটি বাতিল চেক।
  • আধার কার্ড ও ব্যাঙ্কের সাথে লিঙ্ক করা একটি মোবাইল নম্বর
  • সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

প্রকল্প সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদনের জন্য কোনো টাকা লাগে না, প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
  • অনুমোদন পাওয়ার পর অনুদানের টাকা সরাসরি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হয়।
  • আবেদন জমা করার পর অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই স্ট্যাটাস চেক করে নেওয়া যায়।
  • ফর্মে কোনো তথ্য ভুল দেওয়া থাকলে পরবর্তীতে তা সংশোধনের সুযোগও থাকে।

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড (PDF Download)

নিচে দেওয়া 'Download Here' বাটনে ক্লিক করে খুব সহজেই কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আবেদন ফর্মটির পিডিএফ (PDF) আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

Description Link
কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF Download Here

February 24, 2026

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করুন | Bhumihin Khetmajur Status Check | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check by Aadhaar Number

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করুন | Bhumihin Khetmajur Status Check | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check by Aadhaar Number
ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check


প্রিয় বন্ধুরা,

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প' বা 'ভূমিহীন কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ভূমিহীন কৃষকদের বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি আধিকারিকের অফিসে গিয়ে এই প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। ফর্ম জমা দেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই সবার মনে প্রশ্ন জাগে যে, আবেদনটি সফলভাবে গৃহীত হয়েছে (Approved), নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন (Under Process), অথবা বাতিল (Rejected) হয়ে গেছে।

আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা করব, কীভাবে আপনি নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে খুব সহজেই অনলাইনে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস (Application Status) চেক করতে পারবেন।


ভূমিহীন ক্ষেতমজুর বা কৃষক বন্ধু প্রকল্প কী?

রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রকল্পটি মূলত সেই সমস্ত কৃষকদের জন্য, যাঁদের নিজস্ব কোনো চাষযোগ্য জমি নেই এবং যাঁরা জীবিকা নির্বাহের জন্য পুরোপুরি অন্যের জমিতে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তারা যে সুবিধাগুলি পান:

  • ভূমিহীন কৃষকদের প্রতি বছর মোট ৪,০০০ টাকা সরকারি সহায়তা প্রদান করা হয়।
  • অনুদানের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হয়।
  • এই অর্থ খরিফ এবং রবি মরশুমে দুটি সমান কিস্তিতে (২,০০০ টাকা করে) ভাগ করে দেওয়া হয়।


স্ট্যাটাস চেক করার জন্য কী কী তথ্য লাগবে?

অনলাইনে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখার জন্য হাতের কাছে নিচের যেকোনো একটি তথ্য থাকা প্রয়োজন:

  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড নম্বর (Aadhaar Number)
  • অথবা, ফর্মে দেওয়া রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর (Registered Mobile Number)


স্ট্যাটাসে কী কী বিষয় দেখতে পাবেন?

অনলাইনে সার্চ করার পর মূলত নিচের যেকোনো একটি স্ট্যাটাস আপনার স্ক্রিনে ফুটে উঠবে:

  • Approved: আপনার আবেদনটি সফলভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়েছে।
  • Processing / Under Process: আপনার আবেদনপত্রটি এখনও যাচাইকরণের পর্যায়ে রয়েছে।
  • Rejected / Cancelled: কোনো ত্রুটি বা অযোগ্যতার কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে।


কীভাবে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করবেন? (Step-by-Step Guide)

নিচের সহজ ধাপগুলি অনুসরণ করে আপনি নিজেই আপনার আবেদনের স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন:

  • ধাপ ১: সবার প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিশিয়াল পোর্টাল https://matirkatha.wb.gov.in/ -এ প্রবেশ করুন।
  • ধাপ ২: হোমপেজে থাকা “ক্ষেতমজুরের সহায়তা প্রকল্প” নামের ট্যাবটিতে ক্লিক করুন।
  • ধাপ ৩: এরপর নতুন যে পেজটি খুলবে, সেখান থেকে 'Application Status' অপশনটি বেছে নিন।
  • ধাপ ৪: নির্দিষ্ট বক্সে আপনার আবেদন করা আধার নম্বর অথবা রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে টাইপ করুন।
  • ধাপ ৫: নম্বরটি বসানোর পর নিচের 'Search' বাটনে ক্লিক করুন।
  • ধাপ ৬: সাথে সাথেই স্ক্রিনে আপনার আবেদনের সর্বশেষ স্ট্যাটাস বা অবস্থা দেখিয়ে দেবে।


*** বিশেষ নোট (Quick Registration): স্ট্যাটাস চেক করার পর যদি আপনার স্ক্রিনের ঘরে "Quick Registration" লেখাটি দেখায়, তবে বুঝতে হবে কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা আপনার অফলাইন ফর্মটি অনলাইনে পোর্টালে এন্ট্রি করে দিয়েছেন। অর্থাৎ, আপনার প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং আবেদনটি বর্তমানে যাচাইকরণের পর্যায়ে (Under Process) রয়েছে। যাচাইকরণ পর্ব সফলভাবে মিটে গেলে ওই একই জায়গায় স্ট্যাটাস পরিবর্তন হয়ে "Approved" লেখা দেখাবে।


Important Link

Description Link
ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক (Status Check) Check Now

Also Check::
February 24, 2026

ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF | ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বার্ষিক আর্থিক সহায়তা প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF | ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বার্ষিক আর্থিক সহায়তা প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF
ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF


প্রিয় বন্ধুরা,

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন একটি কল্যাণমূলক উদ্যোগ 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প' (Bhumihin Khetmajur Prakalpa) বা 'ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্প' সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। যাদের নিজস্ব কোনো চাষযোগ্য জমি নেই, অন্যের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের আর্থিক সুরক্ষার জন্যই এই প্রকল্পের সূচনা। এই পোস্ট থেকে আপনারা প্রকল্পের সমস্ত তথ্য জানার পাশাপাশি আবেদন ফর্মের পিডিএফ (PDF) ডাউনলোড করতে পারবেন।


ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প আসলে কী?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রকল্পটি মূলত রাজ্যের সেই সমস্ত ক্ষেতমজুরদের জন্য চালু করা হয়েছে, যাদের নিজস্ব কোনো কৃষিজমি নেই। যারা বর্তমান 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের সুবিধা পান না, বা সরকারি খাতায় বর্গাচাষী হিসেবেও যাদের নাম নথিভুক্ত নেই, অথচ পুরোপুরি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করেই যাদের সংসার চলে—তারাই এই 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর' প্রকল্পের আওতায় পড়বেন। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো খেটে খাওয়া ভূমিহীন মানুষদের জীবিকায় একটি স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষা প্রদান করা।


ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে কত টাকা পাওয়া যায়?

এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য ভূমিহীন কৃষকদের বছরে মোট ৪,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এই টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT-এর মাধ্যমে) পাঠানো হয়। তবে অনুদানের এই ৪,০০০ টাকা একবারে না দিয়ে, খরিফ ও রবি মরশুমের শুরুতে দুটি সমান কিস্তিতে (২,০০০ + ২,০০০ টাকা করে) প্রদান করা হয়ে থাকে।


এই প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ

  • যোগ্য ভূমিহীন কৃষকদের প্রতি বছর মোট ৪,০০০ টাকা সরকারি আর্থিক সহায়তা।
  • নগদ টাকার বদলে সরাসরি উপভোক্তার নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার।
  • বছরে দুটি কিস্তিতে (২০০০ টাকা করে) রবি ও খরিফ ফসলের মরশুমে এই অর্থ দেওয়া হয়।

কারা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন? (যোগ্যতা)

ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য চালু হওয়া এই প্রকল্পে আবেদন করতে হলে নিচের শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • আবেদনকারীর নামে নিজস্ব কোনো চাষযোগ্য কৃষি জমি থাকা চলবে না।
  • যাঁরা ইতিমধ্যে মূল 'কৃষকবন্ধু' প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না।
  • আবেদনকারী যেন সরকারিভাবে বর্গাচাষী হিসেবে নথিভুক্ত না থাকেন।
  • জীবিকা নির্বাহের জন্য আবেদনকারীকে সম্পূর্ণভাবে অন্যের জমিতে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে।

আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?

অফলাইনে ফর্ম জমা দেওয়ার সময় নিচের ডকুমেন্টগুলির জেরক্স কপি ফর্মে যুক্ত করতে হবে:

  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড।
  • ভোটার আইডি কার্ড (Voter ID)।
  • বৈধ ও চালু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবইয়ের প্রথম পাতা (যেখানে অ্যাকাউন্ট নম্বর ও IFSC কোড আছে) অথবা একটি বাতিল চেক।
  • আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক করা একটি চালু মোবাইল নম্বর।
  • সাম্প্রতিক তোলা একটি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি।

কীভাবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করবেন?

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে অনলাইনে আবেদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অফলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। নিচে ধাপে ধাপে পদ্ধতিটি দেওয়া হলো:

  • প্রথমে আপনার নিকটবর্তী 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি আধিকারিকের অফিস (ADA Office) থেকে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফাঁকা ফর্মটি সংগ্রহ করুন।
  • এরপর ফর্মটিতে চাওয়া সমস্ত ব্যক্তিগত ও ব্যাঙ্কের তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
  • ফর্মে উল্লেখিত নির্দিষ্ট জায়গায় আপনার পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগান এবং উপরে বলা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলোর জেরক্স কপি ফর্মে পিন-আপ করুন।
  • সবশেষে, ফর্মটিতে সই করে সেটি পুনরায় দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা সংশ্লিষ্ট কৃষি দপ্তরে জমা করে দিন।

Important Link

Description Link
ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ফর্ম PDF (Form Download) Download Here

Monday, 23 February 2026

February 23, 2026

কৃষক বন্ধু প্রকল্প 2026 | সুবিধা, আবেদন পদ্ধতি ও সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

কৃষক বন্ধু form PDF | কৃষকবন্ধু প্রকল্প কী? কারা পাবেন টাকা, ও কিভাবে আবেদন করবেন | Krishak Bandhu Scheme West Bengal

কৃষক বন্ধু form PDF | কৃষকবন্ধু প্রকল্প কী? কারা পাবেন টাকা, ও কিভাবে আবেদন করবেন | Krishak Bandhu Scheme West Bengal
কৃষক বন্ধু প্রকল্প 2026 - সুবিধা, আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট


প্রিয় বন্ধুরা,

পশ্চিমবঙ্গের কৃষিজীবী মানুষের আর্থিক স্থায়িত্ব ও সার্বিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার 'কৃষক বন্ধু' (Krishak Bandhu Scheme) নামের এই যুগান্তকারী প্রকল্পটি পরিচালনা করে আসছে। এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা কী কী সুবিধা পান, কীভাবে এই প্রকল্পে নতুন আবেদন করতে হয় এবং প্রকল্পের টাকা কবে অ্যাকাউন্টে ঢোকে।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প আসলে কী?

কৃষক বন্ধু প্রকল্প হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি দপ্তরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক উদ্যোগ। চাষাবাদের জন্য কৃষকদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেওয়া এবং কোনো কৃষকের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করাই হলো এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। যোগ্য কৃষকদের বছরে দুটি কিস্তিতে (খরিফ ও রবি মরশুমে) সর্বাধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে ডেথ বেনিফিটের সুবিধাও।


কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মূল সুযোগ-সুবিধা

এই প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা মূলত তিন ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন:

  • যাঁদের ১ একর বা তার বেশি পরিমাণ নিজস্ব চাষযোগ্য জমি রয়েছে, তাঁরা বছরে সর্বাধিক ১০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান।
  • যাঁদের জমির পরিমাণ ১ একরের কম, তাঁদের আনুপাতিক হারে বছরে ন্যূনতম ৪,০০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।
  • ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কোনো নথিভুক্ত কৃষকের অকাল মৃত্যু ঘটলে, তাঁর পরিবার বা বৈধ উত্তরাধিকারীকে এককালীন ২ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

কারা এই অনুদান পাবেন? (আবেদনের যোগ্যতা)

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে হলে আবেদনকারীকে নিচের শর্তগুলো মানতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • পেশায় একজন কৃষক হওয়া বাধ্যতামূলক (নিজের জমি থাকা কৃষক অথবা সরকারিভাবে নথিভুক্ত ভাগচাষি উভয়েই যোগ্য)।
  • আবেদনকারীর নামে একটি বৈধ এবং সক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

নতুন আবেদনের জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?

নতুন করে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে যুক্ত হতে চাইলে নিচের নথিপত্রগুলি সঙ্গে রাখতে হবে:

  • চাষযোগ্য জমির বৈধ প্রমাণপত্র (যেমন- জমির পর্চা, পাট্টা, বর্গা রেকর্ড কিংবা বনবিভাগের পাট্টা)।
  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড।
  • ব্যাঙ্ক পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স অথবা একটি ক্যানসেল্ড চেক।
  • আধার কার্ড ও ব্যাঙ্কের সাথে লিঙ্ক করা একটি চালু মোবাইল নম্বর।
  • সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

মৃত্যুজনিত সহায়তার (Death Benefit) জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

মৃত কৃষকের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলি জমা করতে হয়:

  • মৃত কৃষকের যেকোনো একটি সচিত্র পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট (Death Certificate)।
  • সংশ্লিষ্ট বিডিও (BDO) অফিস থেকে নেওয়া বৈধ উত্তরাধিকারীর শংসাপত্র।
  • মৃত কৃষকের জমির রেকর্ড বা ROR।
  • উত্তরাধিকারীর দ্বারা সঠিকভাবে পূরণ করা নির্দিষ্ট আবেদনপত্র।

কীভাবে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদন করবেন?

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদন করার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। নিচে ধাপে ধাপে তা আলোচনা করা হলো:

  • প্রথমে আপনার নিকটবর্তী 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি দপ্তরে (BDO/ADA Office) যোগাযোগ করুন।
  • সেখানকার নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফাঁকা ফর্মটি সংগ্রহ করুন।
  • ফর্মটিতে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে উপরে উল্লেখিত নথিপত্রগুলির জেরক্স কপি ফর্মে সংযুক্ত করে সেখানেই জমা করে দিন।

প্রকল্প সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য কোনো টাকা লাগে না, প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
  • অনুদানের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (Direct Benefit Transfer) পাঠানো হয়।
  • আবেদন করার পর ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করা যায়।
  • ফর্মে কোনো তথ্য ভুল থাকলে পরবর্তীতে তা সংশোধন করার সুযোগও থাকে।

কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা কবে অ্যাকাউন্টে ঢোকে?

এই প্রকল্পের অনুদান বছরে দুটি সমান কিস্তিতে কৃষকদের দেওয়া হয়। খরিফ মরশুমের প্রথম কিস্তির টাকা সাধারণত এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, রবি মরশুমের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা অক্টোবর মাস থেকে মার্চ মাসের মধ্যে সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়।


কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF ও কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করুণ

Description Link
কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF (Form Download) Download Here
কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক (Status Check) Check Now

Also Check::
February 23, 2026

যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে

যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে | কৃষক বন্ধু পেলেও পাবেন যুব সাথী প্রকল্পের টাকা | Krishak Bandhu Beneficiaries Can Apply for Yuvasathi Scheme

যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে | কৃষক বন্ধু পেলেও পাবেন যুব সাথী প্রকল্পের টাকা | Krishak Bandhu Beneficiaries Can Apply for Yuvasathi Scheme
 যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে 


প্রিয় বন্ধুরা,

আপনাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিয়ে এসেছি। এবার থেকে 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের আওতাভুক্ত কৃষকরাও 'যুব সাথী' প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। যারা ইতিমধ্যে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন, তারা নতুন এই যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে এতদিন বেশ সংশয় ছিল। তবে সাম্প্রতিক কিছু খবরের ভিত্তিতে সেই বিভ্রান্তি অনেকটাই দূর হয়েছে। যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত বা অফিশিয়াল নোটিশ জারি করা হয়নি।


হিসাব করে দেখলে, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অধীনে একজন প্রান্তিক বা ক্ষুদ্র কৃষক বছরে ৪,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, নতুন যুব সাথী প্রকল্পে বছরে মোট ১৮,০০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। দুই প্রকল্পের অনুদানের এই ১৪,০০০ টাকার বিরাট পার্থক্যের কারণে কৃষকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিষয়টি রাজ্য প্রশাসনের নজরে আসার পরই তড়িঘড়ি একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়।


নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই প্রশাসনিক বৈঠকে উপভোক্তাদের যোগ্যতা যাচাই এবং সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ কীভাবে মেটানো যায়, তা নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনা শেষে নিয়মের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা বা নমনীয়তা আনার ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনো বিজ্ঞপ্তি বেরোয়নি, তবুও বিভিন্ন সূত্র ও প্রশাসনিক কর্তাদের একাংশের কথায়— কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধাভোগী হলেও যুব সাথী প্রকল্পে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে সম্পূর্ণ অফিশিয়াল গাইডলাইন এলেই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার হবে।


বিশেষ পরামর্শ: আপনারা যারা বর্তমানে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন এবং একইসাথে যুব সাথী প্রকল্পের অন্যান্য সমস্ত যোগ্যতা পূরণ করছেন, তারা অবশ্যই এই প্রকল্পে আবেদন করে রাখুন। পরবর্তীকালে সরকারি নিয়মের কারণে আবেদন যদি বাতিলও হয়ে যায়, তাতে আপনার কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু শুধু ধোঁয়াশায় থেকে এই বড় সুযোগটি কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত হবে না।


Also Check::
February 23, 2026

যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status

যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক করব কিভাবে | যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status

যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক করব কিভাবে | যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status
যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status


প্রিয় বন্ধুরা,

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের জানাবো, 'যুব সাথী' প্রকল্পে করা আপনার আবেদনের বর্তমান স্থিতি বা স্ট্যাটাস কীভাবে খুব সহজেই চেক করতে পারবেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বহু মানুষ অনলাইনে অথবা বিভিন্ন সরকারি ক্যাম্পের মাধ্যমে এই প্রকল্পে ফর্ম জমা দিয়েছেন। ফর্ম জমা দেওয়ার পর প্রত্যেকেরই জানতে ইচ্ছা করে যে, আবেদনটি সফলভাবে গ্রাহ্য হয়েছে কিনা বা সেটি এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে।

আপনাদের সুবিধার্থেই আমরা আজকের এই পোস্টটি নিয়ে এসেছি। এখানে যুব সাথী প্রকল্পের স্ট্যাটাস চেক করার প্রতিটি ধাপ একদম সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। আসুন তাহলে আর দেরি না করে নিচের পদ্ধতিগুলো দেখে নেওয়া যাক।


যুব সাথী প্রকল্পের স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম:

  • Step-1: সবার প্রথমে আপনাকে রাজ্য সরকারের যুব সাথী পোর্টালের মূল ওয়েবসাইট https://apas.wb.gov.in/-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর 'বাংলার যুবসাথী' অপশনটি বেছে নিতে হবে।
  • Step-2: এরপর হোমপেজ থেকে Check Status নামক বাটনটির ওপর ক্লিক করুন।
  • Step-3: এখন আপনার স্ক্রিনে Applicant Login পেজটি খুলে যাবে। ফর্ম ফিলাপ করার সময় আপনি যে মোবাইল নম্বরটি ব্যবহার করেছিলেন সেটি দিন এবং নিচের ক্যাপচা কোডটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
  • Step-4: সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হলে Get OTP/Secret PIN বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • Step-5: সাথে সাথেই আপনার ফোনে ৬ ডিজিটের একটি ওটিপি (OTP) চলে আসবে। সেটি নির্দিষ্ট বক্সে লিখে Verify PIN বাটনে ক্লিক করুন।
  • Step-6: সফলভাবে লগইন হওয়ার পরেই আপনার স্ক্রিনে আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাসটি স্পষ্টভাবে দেখতে পাবেন।

Yuva Sathi Application Status Link 🔗

বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে সকল আবেদনকারীরা সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে ফর্ম জমা করেছেন, বর্তমানে কেবল তারাই এই সুবিধাটি পাবেন। তবে যারা কোনো ক্যাম্পে গিয়ে অফলাইনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন, সরকারি দপ্তরে তাদের তথ্য পোর্টালে আপলোড হওয়ার পরই তারা অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।


Also Check::

February 23, 2026

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026
যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026
 প্রিয় বন্ধুরা,

অনেক সময় দেখা যায় অদম্য মেধা ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেবল আর্থিক অনটনের কারণে বহু ছাত্রছাত্রীর ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়। এই বাস্তব সমস্যার সমাধানে এবং রাজ্যের পিছিয়ে পড়া অথচ মেধাবী পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিয়ে এসেছে এক অভিনব উদ্যোগ— যোগ্যশ্রী প্রকল্প (Yogyashree Scheme)

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কী?

যোগ্যশ্রী প্রকল্প হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত একটি শিক্ষা-সহায়তা কর্মসূচি। এই প্রকল্প মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের স্বপ্নপূরণে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক উদ্যোগ। এর আওতায় রাজ্যের জেনারেল, ওবিসি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী এবং তপশিলী জাতিভুক্ত ও আদিবাসী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে NEET, JEE এবং WBJEE পরীক্ষার প্রস্তুতির কোচিং পাবেন এবং সঙ্গে মাসিক স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে।

কী কী সুবিধা মিলবে?

  • বিনামূল্যে কোচিং: NEET, JEE এবং WBJEE পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কোচিং দেওয়া হবে।
  • ক্লাসের সময়সূচি: প্রত্যেক সপ্তাহের শনি এবং রবিবার ৪ ঘণ্টা করে স্পেশাল ক্লাস করানো হবে।
  • আর্থিক সহায়তা: প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত থাকলে মাসিক ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ১০ মাসে স্টাইপেন্ড বাবদ মোট ৩০০০ টাকা মিলবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন? (যোগ্যতা)

এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলি পূরণ করতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • বর্তমানে একাদশ শ্রেণি বিজ্ঞান বিভাগে (Class 11 Science) পাঠরত হতে হবে।
  • যে সমস্ত পড়ুয়ারা ২০২৭ সালে NEET, JEE এবং WBJEE পরীক্ষায় বসতে চলেছেন, মূলত তাদেরকেই প্রশিক্ষণ দেবে রাজ্য সরকার।
  • পরিবারের বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
  • মাধ্যমিকের নম্বর: সাধারণ (GEN) ও সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭০%, OBC-দের ৬৫%, SC-দের ৬০% এবং ST-দের ৫০% নম্বর থাকতে হবে।

আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

  • আধার কার্ড
  • মাধ্যমিকের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট
  • পরবর্তী ক্লাসে (একাদশ শ্রেণি) ভর্তি হওয়ার রসিদ
  • বাসস্থানের প্রমাণপত্র
  • পরিবারের আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate)
  • ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতার ছবি
  • পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

কীভাবে আবেদন করবেন?

যোগ্যশ্রী প্রকল্পে অনলাইন এবং অফলাইন—উভয় পদ্ধতিতেই আবেদন করা যায়।

  • অনলাইন মাধ্যম: অনলাইনে আবেদনের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://wbbcdev.webstep.in) ভিজিট করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করুন।
  • অফলাইন মাধ্যম: অফলাইনে আবেদন করতে চাইলে জেলাভিত্তিক নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি থেকে সরাসরি আবেদনপত্র সংগ্রহ করুন। এরপর সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যুক্ত করে সেখানেই জমা দিন।

কোন কোন জেলায় এই সুবিধা পাওয়া যাবে?

এই মুহূর্তে রাজ্যের সমস্ত জেলার পড়ুয়ারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। আপাতত পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় চালু হয়েছে এই প্রকল্পটি। সেখানে ৭টি জায়গায় এই প্রশিক্ষণ শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যান্য জেলাতেও এই প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Also Check::