Breaking

Wednesday, 25 February 2026

February 25, 2026

যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে

যুব সাথী এবং ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে একসাথে আবেদন করা যাবে কি | যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে

যুব সাথী এবং ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে একসাথে আবেদন করা যাবে কি | যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছে তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে
যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনকারীরা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন?

প্রিয় বন্ধুরা,
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের একাধিক জনকল্যাণমূলক সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের সাধারণ মানুষ নানাভাবে আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন। এর মধ্যেই সম্প্রতি সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে দুটি নতুন প্রকল্প— 'বাংলার যুব সাথী প্রকল্প' এবং 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প'। এই মুহূর্তে বহু আবেদনকারীর মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, "আমরা যারা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছি, তারা কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর বা ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্যও আবেদন করতে পারব?"

মানুষের মনে এই বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ, যুব সাথী প্রকল্পটি মূলত শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য তৈরি, অন্যদিকে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পটি কৃষিশ্রমিকদের আর্থিক সহায়তার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। দুটি স্কিমই রাজ্য সরকারের, তাই অনেকের মনেই ভয় কাজ করছে যে— একসাথে দুটোতে আবেদন করলে কোনো সমস্যা হবে কি না, বা একটির কারণে অন্যটি বাতিল হয়ে যাবে কি না। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা সরকারি নিয়মকানুন এবং বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই বিষয়টি আপনাদের কাছে পরিষ্কার করার চেষ্টা করব।


যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করলে কি ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করা যায়?

যাঁরা ইতিমধ্যেই বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে ফর্ম জমা করেছেন, তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে পারবেন কি না, সেই বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি। সরকারি দপ্তর থেকে এই সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট আপডেট এলেই আমরা আপনাদের দ্রুত জানিয়ে দেব।


আমাদের বিশ্লেষণ ও বাস্তব পরিস্থিতি

বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করলে দেখা যায়, যাঁদের ইতিমধ্যে 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পে নাম রয়েছে এবং টাকা পাচ্ছেন, তাঁরাও যুব সাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারছেন। সেই যুক্তি অনুযায়ী বলা যেতে পারে, যাঁরা যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন, তাঁদেরও ভূমিহীন ক্ষেতমজুর বা ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদন করার সুযোগ থাকা উচিত।

যদি কোনো ব্যক্তি একইসাথে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করে থাকেন এবং ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের সমস্ত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করেন, তবে নীতিগতভাবে তাঁর দুটি আবেদনপত্রই গ্রহণ করা উচিত। কারণ এই দুটি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য এবং উপভোক্তার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।


দুটি প্রকল্পের উদ্দেশ্যের মূল পার্থক্য

  • যুব সাথী প্রকল্প: এই স্কিমটি রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য। এর মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
  • ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প: এটি সেই সমস্ত কৃষিশ্রমিকদের জন্য, যাঁদের নিজের নামে কোনো চাষযোগ্য জমি নেই এবং যাঁরা পুরোপুরি অন্যের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই স্কিমে বছরে নির্দিষ্ট একটি আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।

একসাথে দুই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা কি পাওয়া যাবে?

বর্তমানে এমন কোনো সরকারি নিয়ম বা গাইডলাইন প্রকাশিত হয়নি যেখানে বলা হয়েছে যে— যুব সাথী প্রকল্পের সুবিধা পেলে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে, অথবা ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নাম থাকলে যুব সাথী বাতিল হবে। একই ব্যক্তির একই সাথে এই দুটি প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়নি


আবেদন বাতিল বা সমস্যা কোথায় হতে পারে?

ভবিষ্যতে আবেদন যাচাইকরণ (Verification) প্রক্রিয়ার সময় সমস্যা তৈরি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ— যদি কোনো শিক্ষিত যুবক আসলে কৃষিকাজের সাথে যুক্ত না হন, কিন্তু শুধুমাত্র অনুদান পাওয়ার লোভে নিজেকে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর হিসেবে দেখিয়ে ভুয়ো তথ্য (Fake Information) প্রদান করেন, তবে সরকারি আধিকারিকদের যাচাইয়ের সময় সেই জালিয়াতি ধরা পড়লে তাঁর আবেদনটি সরাসরি বাতিল (Rejected) করে দেওয়া হবে।


উপসংহার

সংক্ষেপে বলতে গেলে, যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন বলেই যে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করা যাবে না— এমন কোনো সরকারি নির্দেশিকা এখনও জারি হয়নি। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে রাজ্য সরকারের অফিশিয়াল নোটিফিকেশনের ওপর। তাই আমাদের পরামর্শ হলো, যেকোনো প্রকল্পে আবেদন করার আগে সেই প্রকল্পের যোগ্যতার শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে ও যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

⚠️ Disclaimer: এই লেখাটি শুধুমাত্র সাধারণ মানুষদের তথ্য প্রদান ও সচেতন করার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এখানে উল্লেখিত সমস্ত তথ্য বিভিন্ন সরকারি সূত্র, সংবাদমাধ্যম ও প্রচলিত নিয়মের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকার কর্তৃক এই প্রকল্পগুলির কোনো নিয়ম বা নির্দেশিকা পরিবর্তিত হলে তার দায় এই ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ বহন করবে না। যেকোনো প্রকল্পে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা বিজ্ঞপ্তি অবশ্যই নিজে থেকে যাচাই করে নেবেন।

Tuesday, 24 February 2026

February 24, 2026

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Form PDF Download

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Scheme Application Form PDF Download

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Scheme Application Form PDF Download
কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF | Krishak Bandhu Form PDF

প্রিয় বন্ধুরা,

রাজ্যের কৃষিজীবী মানুষদের চাষের খরচে সাহায্য করতে এবং তাঁদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সুরক্ষিত রাখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হলো 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্প। এই স্কিমে যুক্ত হতে গেলে অনেক কৃষককেই অফলাইনে আবেদন করার জন্য 'কৃষক বন্ধু ফর্ম' (Krishak Bandhu Form) ডাউনলোড করতে হয়।

আজকের এই পোস্টে আমরা কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোডের লিঙ্ক শেয়ার করার পাশাপাশি ফর্ম পূরণের সঠিক নিয়ম, আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতি এবং কী কী ডকুমেন্টস লাগবে—তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প আসলে কী?

কৃষক বন্ধু হলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার পরিচালিত একটি কৃষক কল্যাণমূলক স্কিম। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো কৃষকদের চাষাবাদের খরচ জোগাতে আর্থিক সাহায্য করা এবং কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে কৃষক পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান করা। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের বছরে দুটি সমান কিস্তিতে (খরিফ ও রবি মরশুম) সর্বাধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এছাড়াও, কোনো উপভোক্তা কৃষকের অকাল মৃত্যু ঘটলে তাঁর পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।


এই প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ

  • যাঁদের নিজস্ব ১ একর বা তার বেশি চাষযোগ্য জমি রয়েছে, তাঁরা বছরে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন।
  • যাঁদের জমির পরিমাণ ১ একরের কম, তাঁদের আনুপাতিক হারে বছরে ন্যূনতম ৪,০০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।
  • ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে কোনো সুবিধাভোগী কৃষকের মৃত্যু হলে, তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারীকে ২ লক্ষ টাকার ডেথ বেনিফিট দেওয়া হয়।

কৃষক বন্ধু ফর্ম পূরণের নিয়ম (Form Fill-up Process)

অফলাইন ফর্মটি পূরণ করার সময় নিচের বিষয়গুলি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন:

  • ফর্মে নিজের নাম আধার কার্ডের বানান অনুযায়ী একদম নির্ভুলভাবে লিখবেন।
  • টাকা পাওয়ার জন্য আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং IFSC কোড সঠিকভাবে বসাবেন।
  • আপনার নিজস্ব কৃষিজমির পরিমাণ ও রেকর্ডের তথ্য পরিষ্কারভাবে ফর্মে উল্লেখ করবেন।

আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতি

সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ হয়ে গেলে নিচের ধাপে সেটি জমা করতে হবে:

  • প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিপত্রের জেরক্স কপি ফর্মে পিন-আপ করে সংযুক্ত করুন।
  • এরপর সম্পূর্ণ আবেদনপত্রটি আপনার নিকটবর্তী 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি আধিকারিকের দপ্তরে (ADA Office) গিয়ে জমা দিন।
  • জমা দেওয়ার সময় আধিকারিকের কাছ থেকে অবশ্যই রিসিভিং কপি (Acknowledgement Slip) সংগ্রহ করে সযত্নে রেখে দেবেন।

আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?

ফর্ম জমা দেওয়ার সময় নিচের কাগজপত্রের জেরক্স কপি সাথে দেওয়া বাধ্যতামূলক:

  • চাষযোগ্য জমির বৈধ প্রমাণপত্র (যেমন- পর্চা, পাট্টা, বর্গা রেকর্ড কিংবা বনবিভাগের পাট্টা)।
  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড
  • বৈধ ও চালু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবইয়ের প্রথম পাতা অথবা একটি বাতিল চেক।
  • আধার কার্ড ও ব্যাঙ্কের সাথে লিঙ্ক করা একটি মোবাইল নম্বর
  • সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

প্রকল্প সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদনের জন্য কোনো টাকা লাগে না, প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
  • অনুমোদন পাওয়ার পর অনুদানের টাকা সরাসরি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হয়।
  • আবেদন জমা করার পর অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই স্ট্যাটাস চেক করে নেওয়া যায়।
  • ফর্মে কোনো তথ্য ভুল দেওয়া থাকলে পরবর্তীতে তা সংশোধনের সুযোগও থাকে।

কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড (PDF Download)

নিচে দেওয়া 'Download Here' বাটনে ক্লিক করে খুব সহজেই কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আবেদন ফর্মটির পিডিএফ (PDF) আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

Description Link
কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF Download Here

February 24, 2026

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করুন | Bhumihin Khetmajur Status Check | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check by Aadhaar Number

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করুন | Bhumihin Khetmajur Status Check | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check by Aadhaar Number
ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক | Bhumihin Krishak Bandhu Status Check


প্রিয় বন্ধুরা,

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প' বা 'ভূমিহীন কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ভূমিহীন কৃষকদের বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি আধিকারিকের অফিসে গিয়ে এই প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। ফর্ম জমা দেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই সবার মনে প্রশ্ন জাগে যে, আবেদনটি সফলভাবে গৃহীত হয়েছে (Approved), নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন (Under Process), অথবা বাতিল (Rejected) হয়ে গেছে।

আপনাদের সুবিধার্থে আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা করব, কীভাবে আপনি নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে খুব সহজেই অনলাইনে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস (Application Status) চেক করতে পারবেন।


ভূমিহীন ক্ষেতমজুর বা কৃষক বন্ধু প্রকল্প কী?

রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রকল্পটি মূলত সেই সমস্ত কৃষকদের জন্য, যাঁদের নিজস্ব কোনো চাষযোগ্য জমি নেই এবং যাঁরা জীবিকা নির্বাহের জন্য পুরোপুরি অন্যের জমিতে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তারা যে সুবিধাগুলি পান:

  • ভূমিহীন কৃষকদের প্রতি বছর মোট ৪,০০০ টাকা সরকারি সহায়তা প্রদান করা হয়।
  • অনুদানের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হয়।
  • এই অর্থ খরিফ এবং রবি মরশুমে দুটি সমান কিস্তিতে (২,০০০ টাকা করে) ভাগ করে দেওয়া হয়।


স্ট্যাটাস চেক করার জন্য কী কী তথ্য লাগবে?

অনলাইনে আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখার জন্য হাতের কাছে নিচের যেকোনো একটি তথ্য থাকা প্রয়োজন:

  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড নম্বর (Aadhaar Number)
  • অথবা, ফর্মে দেওয়া রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর (Registered Mobile Number)


স্ট্যাটাসে কী কী বিষয় দেখতে পাবেন?

অনলাইনে সার্চ করার পর মূলত নিচের যেকোনো একটি স্ট্যাটাস আপনার স্ক্রিনে ফুটে উঠবে:

  • Approved: আপনার আবেদনটি সফলভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়েছে।
  • Processing / Under Process: আপনার আবেদনপত্রটি এখনও যাচাইকরণের পর্যায়ে রয়েছে।
  • Rejected / Cancelled: কোনো ত্রুটি বা অযোগ্যতার কারণে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে।


কীভাবে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করবেন? (Step-by-Step Guide)

নিচের সহজ ধাপগুলি অনুসরণ করে আপনি নিজেই আপনার আবেদনের স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন:

  • ধাপ ১: সবার প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিশিয়াল পোর্টাল https://matirkatha.wb.gov.in/ -এ প্রবেশ করুন।
  • ধাপ ২: হোমপেজে থাকা “ক্ষেতমজুরের সহায়তা প্রকল্প” নামের ট্যাবটিতে ক্লিক করুন।
  • ধাপ ৩: এরপর নতুন যে পেজটি খুলবে, সেখান থেকে 'Application Status' অপশনটি বেছে নিন।
  • ধাপ ৪: নির্দিষ্ট বক্সে আপনার আবেদন করা আধার নম্বর অথবা রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে টাইপ করুন।
  • ধাপ ৫: নম্বরটি বসানোর পর নিচের 'Search' বাটনে ক্লিক করুন।
  • ধাপ ৬: সাথে সাথেই স্ক্রিনে আপনার আবেদনের সর্বশেষ স্ট্যাটাস বা অবস্থা দেখিয়ে দেবে।


*** বিশেষ নোট (Quick Registration): স্ট্যাটাস চেক করার পর যদি আপনার স্ক্রিনের ঘরে "Quick Registration" লেখাটি দেখায়, তবে বুঝতে হবে কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা আপনার অফলাইন ফর্মটি অনলাইনে পোর্টালে এন্ট্রি করে দিয়েছেন। অর্থাৎ, আপনার প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং আবেদনটি বর্তমানে যাচাইকরণের পর্যায়ে (Under Process) রয়েছে। যাচাইকরণ পর্ব সফলভাবে মিটে গেলে ওই একই জায়গায় স্ট্যাটাস পরিবর্তন হয়ে "Approved" লেখা দেখাবে।


Important Link

Description Link
ভূমিহীন কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক (Status Check) Check Now

Also Check::
February 24, 2026

ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF | ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বার্ষিক আর্থিক সহায়তা প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF | ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বার্ষিক আর্থিক সহায়তা প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF
ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ফর্ম ডাউনলোড PDF | Bhumihin Krishak Bandhu Form PDF


প্রিয় বন্ধুরা,

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন একটি কল্যাণমূলক উদ্যোগ 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প' (Bhumihin Khetmajur Prakalpa) বা 'ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্প' সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। যাদের নিজস্ব কোনো চাষযোগ্য জমি নেই, অন্যের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের আর্থিক সুরক্ষার জন্যই এই প্রকল্পের সূচনা। এই পোস্ট থেকে আপনারা প্রকল্পের সমস্ত তথ্য জানার পাশাপাশি আবেদন ফর্মের পিডিএফ (PDF) ডাউনলোড করতে পারবেন।


ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প আসলে কী?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রকল্পটি মূলত রাজ্যের সেই সমস্ত ক্ষেতমজুরদের জন্য চালু করা হয়েছে, যাদের নিজস্ব কোনো কৃষিজমি নেই। যারা বর্তমান 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের সুবিধা পান না, বা সরকারি খাতায় বর্গাচাষী হিসেবেও যাদের নাম নথিভুক্ত নেই, অথচ পুরোপুরি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করেই যাদের সংসার চলে—তারাই এই 'ভূমিহীন ক্ষেতমজুর' প্রকল্পের আওতায় পড়বেন। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো খেটে খাওয়া ভূমিহীন মানুষদের জীবিকায় একটি স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষা প্রদান করা।


ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে কত টাকা পাওয়া যায়?

এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য ভূমিহীন কৃষকদের বছরে মোট ৪,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। এই টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT-এর মাধ্যমে) পাঠানো হয়। তবে অনুদানের এই ৪,০০০ টাকা একবারে না দিয়ে, খরিফ ও রবি মরশুমের শুরুতে দুটি সমান কিস্তিতে (২,০০০ + ২,০০০ টাকা করে) প্রদান করা হয়ে থাকে।


এই প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ

  • যোগ্য ভূমিহীন কৃষকদের প্রতি বছর মোট ৪,০০০ টাকা সরকারি আর্থিক সহায়তা।
  • নগদ টাকার বদলে সরাসরি উপভোক্তার নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার।
  • বছরে দুটি কিস্তিতে (২০০০ টাকা করে) রবি ও খরিফ ফসলের মরশুমে এই অর্থ দেওয়া হয়।

কারা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন? (যোগ্যতা)

ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য চালু হওয়া এই প্রকল্পে আবেদন করতে হলে নিচের শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • আবেদনকারীর নামে নিজস্ব কোনো চাষযোগ্য কৃষি জমি থাকা চলবে না।
  • যাঁরা ইতিমধ্যে মূল 'কৃষকবন্ধু' প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না।
  • আবেদনকারী যেন সরকারিভাবে বর্গাচাষী হিসেবে নথিভুক্ত না থাকেন।
  • জীবিকা নির্বাহের জন্য আবেদনকারীকে সম্পূর্ণভাবে অন্যের জমিতে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে।

আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্টস লাগবে?

অফলাইনে ফর্ম জমা দেওয়ার সময় নিচের ডকুমেন্টগুলির জেরক্স কপি ফর্মে যুক্ত করতে হবে:

  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড।
  • ভোটার আইডি কার্ড (Voter ID)।
  • বৈধ ও চালু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবইয়ের প্রথম পাতা (যেখানে অ্যাকাউন্ট নম্বর ও IFSC কোড আছে) অথবা একটি বাতিল চেক।
  • আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক করা একটি চালু মোবাইল নম্বর।
  • সাম্প্রতিক তোলা একটি পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি।

কীভাবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদন করবেন?

ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে অনলাইনে আবেদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অফলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। নিচে ধাপে ধাপে পদ্ধতিটি দেওয়া হলো:

  • প্রথমে আপনার নিকটবর্তী 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি আধিকারিকের অফিস (ADA Office) থেকে ভূমিহীন কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফাঁকা ফর্মটি সংগ্রহ করুন।
  • এরপর ফর্মটিতে চাওয়া সমস্ত ব্যক্তিগত ও ব্যাঙ্কের তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
  • ফর্মে উল্লেখিত নির্দিষ্ট জায়গায় আপনার পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগান এবং উপরে বলা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলোর জেরক্স কপি ফর্মে পিন-আপ করুন।
  • সবশেষে, ফর্মটিতে সই করে সেটি পুনরায় দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বা সংশ্লিষ্ট কৃষি দপ্তরে জমা করে দিন।

Important Link

Description Link
ভূমিহীন ক্ষেতমজুর ফর্ম PDF (Form Download) Download Here

Monday, 23 February 2026

February 23, 2026

কৃষক বন্ধু প্রকল্প 2026 | সুবিধা, আবেদন পদ্ধতি ও সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট

কৃষক বন্ধু form PDF | কৃষকবন্ধু প্রকল্প কী? কারা পাবেন টাকা, ও কিভাবে আবেদন করবেন | Krishak Bandhu Scheme West Bengal

কৃষক বন্ধু form PDF | কৃষকবন্ধু প্রকল্প কী? কারা পাবেন টাকা, ও কিভাবে আবেদন করবেন | Krishak Bandhu Scheme West Bengal
কৃষক বন্ধু প্রকল্প 2026 - সুবিধা, আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট


প্রিয় বন্ধুরা,

পশ্চিমবঙ্গের কৃষিজীবী মানুষের আর্থিক স্থায়িত্ব ও সার্বিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার 'কৃষক বন্ধু' (Krishak Bandhu Scheme) নামের এই যুগান্তকারী প্রকল্পটি পরিচালনা করে আসছে। এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা কী কী সুবিধা পান, কীভাবে এই প্রকল্পে নতুন আবেদন করতে হয় এবং প্রকল্পের টাকা কবে অ্যাকাউন্টে ঢোকে।


কৃষক বন্ধু প্রকল্প আসলে কী?

কৃষক বন্ধু প্রকল্প হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি দপ্তরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক উদ্যোগ। চাষাবাদের জন্য কৃষকদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেওয়া এবং কোনো কৃষকের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করাই হলো এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। যোগ্য কৃষকদের বছরে দুটি কিস্তিতে (খরিফ ও রবি মরশুমে) সর্বাধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে ডেথ বেনিফিটের সুবিধাও।


কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মূল সুযোগ-সুবিধা

এই প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা মূলত তিন ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন:

  • যাঁদের ১ একর বা তার বেশি পরিমাণ নিজস্ব চাষযোগ্য জমি রয়েছে, তাঁরা বছরে সর্বাধিক ১০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান।
  • যাঁদের জমির পরিমাণ ১ একরের কম, তাঁদের আনুপাতিক হারে বছরে ন্যূনতম ৪,০০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়।
  • ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কোনো নথিভুক্ত কৃষকের অকাল মৃত্যু ঘটলে, তাঁর পরিবার বা বৈধ উত্তরাধিকারীকে এককালীন ২ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

কারা এই অনুদান পাবেন? (আবেদনের যোগ্যতা)

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে হলে আবেদনকারীকে নিচের শর্তগুলো মানতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • পেশায় একজন কৃষক হওয়া বাধ্যতামূলক (নিজের জমি থাকা কৃষক অথবা সরকারিভাবে নথিভুক্ত ভাগচাষি উভয়েই যোগ্য)।
  • আবেদনকারীর নামে একটি বৈধ এবং সক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

নতুন আবেদনের জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?

নতুন করে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে যুক্ত হতে চাইলে নিচের নথিপত্রগুলি সঙ্গে রাখতে হবে:

  • চাষযোগ্য জমির বৈধ প্রমাণপত্র (যেমন- জমির পর্চা, পাট্টা, বর্গা রেকর্ড কিংবা বনবিভাগের পাট্টা)।
  • আবেদনকারীর নিজস্ব আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড।
  • ব্যাঙ্ক পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স অথবা একটি ক্যানসেল্ড চেক।
  • আধার কার্ড ও ব্যাঙ্কের সাথে লিঙ্ক করা একটি চালু মোবাইল নম্বর।
  • সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

মৃত্যুজনিত সহায়তার (Death Benefit) জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

মৃত কৃষকের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলি জমা করতে হয়:

  • মৃত কৃষকের যেকোনো একটি সচিত্র পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
  • মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট (Death Certificate)।
  • সংশ্লিষ্ট বিডিও (BDO) অফিস থেকে নেওয়া বৈধ উত্তরাধিকারীর শংসাপত্র।
  • মৃত কৃষকের জমির রেকর্ড বা ROR।
  • উত্তরাধিকারীর দ্বারা সঠিকভাবে পূরণ করা নির্দিষ্ট আবেদনপত্র।

কীভাবে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদন করবেন?

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদন করার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। নিচে ধাপে ধাপে তা আলোচনা করা হলো:

  • প্রথমে আপনার নিকটবর্তী 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্প অথবা ব্লক কৃষি দপ্তরে (BDO/ADA Office) যোগাযোগ করুন।
  • সেখানকার নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফাঁকা ফর্মটি সংগ্রহ করুন।
  • ফর্মটিতে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে উপরে উল্লেখিত নথিপত্রগুলির জেরক্স কপি ফর্মে সংযুক্ত করে সেখানেই জমা করে দিন।

প্রকল্প সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • এই প্রকল্পে আবেদনের জন্য কোনো টাকা লাগে না, প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
  • অনুদানের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (Direct Benefit Transfer) পাঠানো হয়।
  • আবেদন করার পর ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করা যায়।
  • ফর্মে কোনো তথ্য ভুল থাকলে পরবর্তীতে তা সংশোধন করার সুযোগও থাকে।

কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা কবে অ্যাকাউন্টে ঢোকে?

এই প্রকল্পের অনুদান বছরে দুটি সমান কিস্তিতে কৃষকদের দেওয়া হয়। খরিফ মরশুমের প্রথম কিস্তির টাকা সাধারণত এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, রবি মরশুমের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা অক্টোবর মাস থেকে মার্চ মাসের মধ্যে সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়।


কৃষক বন্ধু ফর্ম ডাউনলোড PDF ও কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক করুণ

Description Link
কৃষক বন্ধু ফর্ম PDF (Form Download) Download Here
কৃষক বন্ধু স্ট্যাটাস চেক (Status Check) Check Now

Also Check::
February 23, 2026

যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে

যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে | কৃষক বন্ধু পেলেও পাবেন যুব সাথী প্রকল্পের টাকা | Krishak Bandhu Beneficiaries Can Apply for Yuvasathi Scheme

যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে | কৃষক বন্ধু পেলেও পাবেন যুব সাথী প্রকল্পের টাকা | Krishak Bandhu Beneficiaries Can Apply for Yuvasathi Scheme
 যারা কৃষক বন্ধুর টাকা পায় তারা কি আবেদন করতে পারবে যুব সাথী প্রকল্পে 


প্রিয় বন্ধুরা,

আপনাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিয়ে এসেছি। এবার থেকে 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের আওতাভুক্ত কৃষকরাও 'যুব সাথী' প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। যারা ইতিমধ্যে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন, তারা নতুন এই যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে এতদিন বেশ সংশয় ছিল। তবে সাম্প্রতিক কিছু খবরের ভিত্তিতে সেই বিভ্রান্তি অনেকটাই দূর হয়েছে। যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত বা অফিশিয়াল নোটিশ জারি করা হয়নি।


হিসাব করে দেখলে, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অধীনে একজন প্রান্তিক বা ক্ষুদ্র কৃষক বছরে ৪,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, নতুন যুব সাথী প্রকল্পে বছরে মোট ১৮,০০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। দুই প্রকল্পের অনুদানের এই ১৪,০০০ টাকার বিরাট পার্থক্যের কারণে কৃষকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিষয়টি রাজ্য প্রশাসনের নজরে আসার পরই তড়িঘড়ি একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়।


নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই প্রশাসনিক বৈঠকে উপভোক্তাদের যোগ্যতা যাচাই এবং সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ কীভাবে মেটানো যায়, তা নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আলোচনা শেষে নিয়মের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা বা নমনীয়তা আনার ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনো বিজ্ঞপ্তি বেরোয়নি, তবুও বিভিন্ন সূত্র ও প্রশাসনিক কর্তাদের একাংশের কথায়— কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধাভোগী হলেও যুব সাথী প্রকল্পে তাদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে সম্পূর্ণ অফিশিয়াল গাইডলাইন এলেই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার হবে।


বিশেষ পরামর্শ: আপনারা যারা বর্তমানে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন এবং একইসাথে যুব সাথী প্রকল্পের অন্যান্য সমস্ত যোগ্যতা পূরণ করছেন, তারা অবশ্যই এই প্রকল্পে আবেদন করে রাখুন। পরবর্তীকালে সরকারি নিয়মের কারণে আবেদন যদি বাতিলও হয়ে যায়, তাতে আপনার কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু শুধু ধোঁয়াশায় থেকে এই বড় সুযোগটি কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত হবে না।


Also Check::
February 23, 2026

যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status

যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক করব কিভাবে | যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status

যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক করব কিভাবে | যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status
যুব সাথী স্ট্যাটাস চেক | How to Check Yuva Sathi Application Status


প্রিয় বন্ধুরা,

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের জানাবো, 'যুব সাথী' প্রকল্পে করা আপনার আবেদনের বর্তমান স্থিতি বা স্ট্যাটাস কীভাবে খুব সহজেই চেক করতে পারবেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বহু মানুষ অনলাইনে অথবা বিভিন্ন সরকারি ক্যাম্পের মাধ্যমে এই প্রকল্পে ফর্ম জমা দিয়েছেন। ফর্ম জমা দেওয়ার পর প্রত্যেকেরই জানতে ইচ্ছা করে যে, আবেদনটি সফলভাবে গ্রাহ্য হয়েছে কিনা বা সেটি এখন কোন পর্যায়ে রয়েছে।

আপনাদের সুবিধার্থেই আমরা আজকের এই পোস্টটি নিয়ে এসেছি। এখানে যুব সাথী প্রকল্পের স্ট্যাটাস চেক করার প্রতিটি ধাপ একদম সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। আসুন তাহলে আর দেরি না করে নিচের পদ্ধতিগুলো দেখে নেওয়া যাক।


যুব সাথী প্রকল্পের স্ট্যাটাস দেখার নিয়ম:

  • Step-1: সবার প্রথমে আপনাকে রাজ্য সরকারের যুব সাথী পোর্টালের মূল ওয়েবসাইট https://apas.wb.gov.in/-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর 'বাংলার যুবসাথী' অপশনটি বেছে নিতে হবে।
  • Step-2: এরপর হোমপেজ থেকে Check Status নামক বাটনটির ওপর ক্লিক করুন।
  • Step-3: এখন আপনার স্ক্রিনে Applicant Login পেজটি খুলে যাবে। ফর্ম ফিলাপ করার সময় আপনি যে মোবাইল নম্বরটি ব্যবহার করেছিলেন সেটি দিন এবং নিচের ক্যাপচা কোডটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
  • Step-4: সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হলে Get OTP/Secret PIN বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • Step-5: সাথে সাথেই আপনার ফোনে ৬ ডিজিটের একটি ওটিপি (OTP) চলে আসবে। সেটি নির্দিষ্ট বক্সে লিখে Verify PIN বাটনে ক্লিক করুন।
  • Step-6: সফলভাবে লগইন হওয়ার পরেই আপনার স্ক্রিনে আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাসটি স্পষ্টভাবে দেখতে পাবেন।

Yuva Sathi Application Status Link 🔗

বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে সকল আবেদনকারীরা সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে ফর্ম জমা করেছেন, বর্তমানে কেবল তারাই এই সুবিধাটি পাবেন। তবে যারা কোনো ক্যাম্পে গিয়ে অফলাইনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন, সরকারি দপ্তরে তাদের তথ্য পোর্টালে আপলোড হওয়ার পরই তারা অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।


Also Check::

February 23, 2026

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026
যোগ্যশ্রী প্রকল্প কি ও যোগ্যশ্রী প্রকল্প আবেদন পদ্ধতি | Yogyashree Scheme West Bengal 2026
 প্রিয় বন্ধুরা,

অনেক সময় দেখা যায় অদম্য মেধা ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেবল আর্থিক অনটনের কারণে বহু ছাত্রছাত্রীর ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়। এই বাস্তব সমস্যার সমাধানে এবং রাজ্যের পিছিয়ে পড়া অথচ মেধাবী পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিয়ে এসেছে এক অভিনব উদ্যোগ— যোগ্যশ্রী প্রকল্প (Yogyashree Scheme)

যোগ্যশ্রী প্রকল্প কী?

যোগ্যশ্রী প্রকল্প হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত একটি শিক্ষা-সহায়তা কর্মসূচি। এই প্রকল্প মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছাত্রছাত্রীদের স্বপ্নপূরণে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক উদ্যোগ। এর আওতায় রাজ্যের জেনারেল, ওবিসি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী এবং তপশিলী জাতিভুক্ত ও আদিবাসী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে NEET, JEE এবং WBJEE পরীক্ষার প্রস্তুতির কোচিং পাবেন এবং সঙ্গে মাসিক স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে।

কী কী সুবিধা মিলবে?

  • বিনামূল্যে কোচিং: NEET, JEE এবং WBJEE পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কোচিং দেওয়া হবে।
  • ক্লাসের সময়সূচি: প্রত্যেক সপ্তাহের শনি এবং রবিবার ৪ ঘণ্টা করে স্পেশাল ক্লাস করানো হবে।
  • আর্থিক সহায়তা: প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত থাকলে মাসিক ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ১০ মাসে স্টাইপেন্ড বাবদ মোট ৩০০০ টাকা মিলবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন? (যোগ্যতা)

এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলি পূরণ করতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • বর্তমানে একাদশ শ্রেণি বিজ্ঞান বিভাগে (Class 11 Science) পাঠরত হতে হবে।
  • যে সমস্ত পড়ুয়ারা ২০২৭ সালে NEET, JEE এবং WBJEE পরীক্ষায় বসতে চলেছেন, মূলত তাদেরকেই প্রশিক্ষণ দেবে রাজ্য সরকার।
  • পরিবারের বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
  • মাধ্যমিকের নম্বর: সাধারণ (GEN) ও সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭০%, OBC-দের ৬৫%, SC-দের ৬০% এবং ST-দের ৫০% নম্বর থাকতে হবে।

আবেদনের জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

  • আধার কার্ড
  • মাধ্যমিকের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট
  • পরবর্তী ক্লাসে (একাদশ শ্রেণি) ভর্তি হওয়ার রসিদ
  • বাসস্থানের প্রমাণপত্র
  • পরিবারের আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate)
  • ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতার ছবি
  • পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

কীভাবে আবেদন করবেন?

যোগ্যশ্রী প্রকল্পে অনলাইন এবং অফলাইন—উভয় পদ্ধতিতেই আবেদন করা যায়।

  • অনলাইন মাধ্যম: অনলাইনে আবেদনের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://wbbcdev.webstep.in) ভিজিট করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করুন।
  • অফলাইন মাধ্যম: অফলাইনে আবেদন করতে চাইলে জেলাভিত্তিক নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি থেকে সরাসরি আবেদনপত্র সংগ্রহ করুন। এরপর সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যুক্ত করে সেখানেই জমা দিন।

কোন কোন জেলায় এই সুবিধা পাওয়া যাবে?

এই মুহূর্তে রাজ্যের সমস্ত জেলার পড়ুয়ারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। আপাতত পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় চালু হয়েছে এই প্রকল্পটি। সেখানে ৭টি জায়গায় এই প্রশিক্ষণ শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যান্য জেলাতেও এই প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Also Check::




Wednesday, 18 February 2026

February 18, 2026

Indian History GK Question Answer Part 01

Indian History GK Mock Test Question Answer - Part 01

Indian History GK Question Answer - Part 01
 Indian History MCQ | ভারতের ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ জিকে

প্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই পর্বে আমরা নিয়ে এসেছি ভারতের ইতিহাসের (Indian History) ৪০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এমসিকিউ প্রশ্ন ও উত্তর। এই প্রশ্নগুলি প্রাচীন, মধ্যযুগীয় এবং আধুনিক ভারতের ইতিহাস থেকে সংগৃহীত, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যেমন - WBCS, Railway Group D, NTPC, WBP Constable, KP, এবং PSC Clerkship-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রস্তুতির মান যাচাই করার জন্য এই সেটটি অনুশীলন করুন। প্রতিটি প্রশ্নের নিচে সঠিক উত্তরটি আলাদা রঙে হাইলাইট করে দেওয়া হয়েছে যাতে আপনাদের পড়তে সুবিধা হয়। নিয়মিত এই ধরণের জিকে প্র্যাকটিস সেট অনুশীলন করলে পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। আসুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক আজকের ইতিহাসের জিকে পর্বটি।

Indian History MCQ

০১. কোন ব্রিটিশ শাসক ভারতে পুলিশ প্রশাসনের সূত্রপাত করেছিলেন ?
(ক) লর্ড কর্ণওয়ালিস
(খ) লর্ড ওয়েলেসলি
(গ) লর্ড ডালহৌসি
(ঘ) লর্ড বেন্টিঙ্ক
সঠিক উত্তর: (ক) লর্ড কর্ণওয়ালিস ভারতে পুলিশ প্রশাসনের সূত্রপাত করেছিলেন।

০২. আদিনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত ?
(ক) অজন্তা
(খ) পাণ্ডুয়া
(গ) সাঁচি
(ঘ) পুরুষপুর
সঠিক উত্তর: (খ) আদিনা মসজিদ পাণ্ডুয়ায় অবস্থিত।

০৩. মেকলে কোন সংস্কারের জন্য বিখ্যাত ?
(ক) অর্থনৈতিক
(খ) প্রশাসনিক
(গ) শিক্ষাগত
(ঘ) ধর্মীয়
সঠিক উত্তর: (গ) মেকলে শিক্ষাগত সংস্কারের জন্য বিখ্যাত।

০৪. নিচের কোন ব্যক্তি ক্যাবিনেট মিশনের সদস্য ছিলেন না ?
(ক) পেথিক লরেন্স
(খ) এন্টনি ইডেন
(গ) স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস
(ঘ) এ ভি আলেকজান্ডার
সঠিক উত্তর: (খ) এন্টনি ইডেন ক্যাবিনেট মিশনের সদস্য ছিলেন না।

০৫. অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস কে স্থাপন করেছিলেন ?
(ক) বি পি ওয়াদিয়া
(খ) বাল গঙ্গাধর তিলক
(গ) এন এম যোশী
(ঘ) জি কে গোখলে
সঠিক উত্তর: (গ) অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস এন এম যোশী স্থাপন করেছিলেন।

০৬. ফোর্ট উইলিয়াম তৈরি হয়েছিল কোন সালে ?
(ক) 1698
(খ) 1757
(গ) 1690
(ঘ) 1700
সঠিক উত্তর: (ঘ) ফোর্ট উইলিয়াম ১৭০০ সালে তৈরি হয়েছিল।

০৭. সমাজকর্মী ও আর্যসমাজের নেতা সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন। তার নাম কি ?
(ক) স্বামী অগ্নিবেশ
(খ) গোবিন্দ স্বরূপ
(গ) স্বামী ওমানন্দ
(ঘ) স্বামী সত্যপ্রকাশ সরস্বতী
সঠিক উত্তর: (ক) তিনি হলেন স্বামী অগ্নিবেশ।

০৮. সারনাথে বুদ্ধ যে প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন তাকে বলা হয় ?
(ক) ধর্মচক্র প্রবর্তন
(খ) পঞ্চশীল
(গ) মহাবিনিষ্ক্রমন
(ঘ) নির্বাণ
সঠিক উত্তর: (ক) সারনাথে বুদ্ধের প্রথম উপদেশকে ধর্মচক্র প্রবর্তন বলা হয়।

০৯. পুরান অনুযায়ী কে পরশুরাম, একরাট প্রভৃতি উপাধি নিয়েছিলেন ?
(ক) ধননন্দ
(খ) মহাপদ্ম নন্দ
(গ) বিন্দুসার
(ঘ) চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর: (খ) মহাপদ্ম নন্দ পরশুরাম, একরাট প্রভৃতি উপাধি নিয়েছিলেন।

১০. সত্যার্থ প্রকাশের রচয়িতা কে ?
(ক) স্বামী বিবেকানন্দ
(খ) স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী
(গ) আত্মারাম পাণ্ডুরঙ্গ
(ঘ) মহাদেব গোবিন্দ রানাডে
সঠিক উত্তর: (খ) সত্যার্থ প্রকাশের রচয়িতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী।

১১. ভারতের প্রথম ভাইসরয় কে ছিলেন ?
(ক) লর্ড ক্যানিং
(খ) লর্ড কার্জন
(গ) লর্ড ডাফরিন
(ঘ) লর্ড আরউইন
সঠিক উত্তর: (ক) ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন লর্ড ক্যানিং।

১২. ভাস্কর ধীমান ও বিতপাল কোন সাম্রাজ্যের সময়কার ?
(ক) সেন
(খ) পাল
(গ) প্রতিহার
(ঘ) শুঙ্গ
সঠিক উত্তর: (খ) ভাস্কর ধীমান ও বিতপাল পাল সাম্রাজ্যের সময়কার।

১৩. এদের মধ্যে কে মধ্যযুগের চাঘতাই বংশের ?
(ক) চেঙ্গিজ খান
(খ) তৈমুর
(গ) মহম্মদ ঘোরি
(ঘ) মামুদ
সঠিক উত্তর: (খ) তৈমুর ছিলেন মধ্যযুগের চাঘতাই বংশের।

১৪. কোন বছর আকবর আসিরগড় দুর্গ জয় করেন ?
(ক) 1600
(খ) 1601
(গ) 1605
(ঘ) 1603
সঠিক উত্তর: (খ) ১৬০১ সালে আকবর আসিরগড় দুর্গ জয় করেন।

১৫. অসহযোগ আন্দোলনের অবসান হয় কোন চুক্তি স্বাক্ষরে ?
(ক) প্রথম গোল টেবিল বৈঠক
(খ) নেহেরু রিপোর্ট
(গ) পুনা চুক্তি
(ঘ) গান্ধী-আরউইন চুক্তি
সঠিক উত্তর: (ঘ) গান্ধী-আরউইন চুক্তি স্বাক্ষরে।

১৬. অখিল ভারতীয় কিষান কংগ্রেস কবে প্রতিষ্ঠা হয় ?
(ক) 1936
(খ) 1939
(গ) 1942
(ঘ) 1945
সঠিক উত্তর: (ক) ১৯৩৬ সালে অখিল ভারতীয় কিষান কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা হয়।

১৭. কাকে ভারতের মার্টিন লুথার বলা হয় ?
(ক) স্বামী বিবেকানন্দ
(খ) স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী
(গ) রাজা রামমোহন রায়
(ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর: (খ) স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীকে ভারতের মার্টিন লুথার বলা হয়।

১৮. ইতালীয় পর্যটক নিকোলো কন্টি কার শাসনকালে বিজয়নগর রাজ্যে গিয়েছিলেন ?
(ক) অচ্যুত রায়
(খ) প্রথম দেবরায়
(গ) দ্বিতীয় দেবরায়
(ঘ) কৃষ্ণদেব রায়
সঠিক উত্তর: (খ) নিকোলো কন্টি প্রথম দেবরায়ের শাসনকালে বিজয়নগর রাজ্যে গিয়েছিলেন।

১৯. নিম্নের কোন বিপ্লবী দেশপ্রিয় নামে পরিচিত ছিলেন ?
(ক) গান্ধীজি
(খ) রামকৃষ্ণ দেব
(গ) চিত্তরঞ্জন দাস
(ঘ) যতীন্দ্রামোহন দাশগুপ্ত
সঠিক উত্তর: (ঘ) যতীন্দ্রামোহন দাশগুপ্ত দেশপ্রিয় নামে পরিচিত ছিলেন।

২০. সমাজের শোষিত অংশের জন্য হিতকারিনী সভা কে স্থাপন করেছিলেন ?
(ক) মহাত্মা গান্ধী
(খ) জোতিবা ফুলে
(গ) বি আর আম্বেদকর
(ঘ) তিলক
সঠিক উত্তর: (গ) বি আর আম্বেদকর হিতকারিনী সভা স্থাপন করেছিলেন।

২১. কোন সালে গণপরিষদ জনগনমন গানটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে ?
(ক) 1950
(খ) 1947
(গ) 1949
(ঘ) 1953
সঠিক উত্তর: (ক) ১৯৫০ সালে গণপরিষদ জনগনমন গানটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে।

২২. কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে ব্রিটিশ সরকার নাইট উপাধি প্রদান করে ?
(ক) 1919
(খ) 1910
(গ) 1915
(ঘ) 1911
সঠিক উত্তর: (গ) ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নাইট উপাধি প্রদান করে।

২৩. মুক্তধারা - কার লেখা ?
(ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
সঠিক উত্তর: (গ) মুক্তধারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।

২৪. বিপিনচন্দ্র পালের দীক্ষাগুরু কে ছিলেন ?
(ক) শচিন্দ্রনাথ সান্যাল
(খ) অশ্বিনীকুমার দত্ত
(গ) এস এন ব্যানার্জী
(ঘ) মহাত্মা গান্ধী
সঠিক উত্তর: (গ) বিপিনচন্দ্র পালের দীক্ষাগুরু ছিলেন এস এন ব্যানার্জী।

২৫. মেদিনীপুরে অনুশীলন সমিতি কোন সালে প্রতিষ্ঠালাভ করে ?
(ক) 1900
(খ) 1944
(গ) 1911
(ঘ) 1902
সঠিক উত্তর: (ঘ) মেদিনীপুরে অনুশীলন সমিতি ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠালাভ করে।

২৬. 1897 সালের কংগ্রেসের অধিবেশনকে নিম্নের কে তিন দিনের তামাশা বলে অভিহিত করেন ?
(ক) প্রমথনাথ মিত্র
(খ) অশ্বিনীকুমার দত্ত
(গ) কৃষ্ণকুমার মিত্র
(ঘ) সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
সঠিক উত্তর: (খ) অশ্বিনীকুমার দত্ত কংগ্রেস অধিবেশনকে তিন দিনের তামাশা বলে অভিহিত করেন।

২৭. নিম্নের কে 1883 সালে বাংলা পত্রিকা সঞ্জীবনী চালু করেন ?
(ক) কৃষ্ণকুমার মিত্র
(খ) প্রমথনাথ মিত্র
(গ) সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
(ঘ) বিপিনচন্দ্র পাল
সঠিক উত্তর: (ক) কৃষ্ণকুমার মিত্র সঞ্জীবনী পত্রিকা চালু করেন।

২৮. নিম্নের কার A Nation in Making বিশেষভাবে সমাদৃত ?
(ক) কৃষ্ণকুমার মিত্র
(খ) প্রমথনাথ মিত্র
(গ) সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
(ঘ) বিপিনচন্দ্র পাল
সঠিক উত্তর: (গ) A Nation in Making সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর লেখা।

২৯. কোন সালে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী কে নাইট উপাধি দেওয়া হয় ?
(ক) 1919
(খ) 1920
(গ) 1921
(ঘ) 1923
সঠিক উত্তর: (গ) ১৯২১ সালে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়।

৩০. কোন সালের কংগ্রেস অধিবেশনে আনন্দমোহন বসু সভাপতিত্ব করেন ?
(ক) 1898
(খ) 1900
(গ) 1899
(ঘ) 1902
সঠিক উত্তর: (ক) ১৮৯৮ সালের কংগ্রেস অধিবেশনে আনন্দমোহন বসু সভাপতিত্ব করেন।

৩১. আনন্দমোহন বসু কোন সালে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রতিষ্ঠা করেন ?
(ক) 1900
(খ) 1928
(গ) 1893
(ঘ) 1915
সঠিক উত্তর: (গ) ১৮৯৩ সালে (প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী)।

৩২. কত সালে দাদাভাই নৌরজি লন্ডন ইন্ডিয়ান সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন ?
(ক) 1900
(খ) 1868
(গ) 1865
(ঘ) 1890
সঠিক উত্তর: (গ) ১৮৬৫ সালে দাদাভাই নৌরজি লন্ডন ইন্ডিয়ান সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।

৩৩. লন্ডনে 1893 সালে নিম্নের কে ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টারি কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন ?
(ক) নওরোজি
(খ) উমেশচন্দ্র ব্যানার্জী
(গ) বদরুদ্দীন তৈয়বজি
(ঘ) উপরের সবাই
সঠিক উত্তর: (ঘ) উপরের সবাই ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টারি কমিটি প্রতিষ্ঠায় যুক্ত ছিলেন।

৩৪. জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে কতজন সদস্য যোগ দিয়েছিলেন ?
(ক) 65 জন
(খ) 72 জন
(গ) 70 জন
(ঘ) 60 জন
সঠিক উত্তর: (খ) জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে ৭২ জন সদস্য যোগ দিয়েছিলেন।

৩৫. অমৃতবাজার পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন ?
(ক) কেশবচন্দ্র সেন
(খ) প্রফুল্লচন্দ্র রায়
(গ) দীনবন্ধু মিত্র
(ঘ) শিশির কুমার ঘোষ
সঠিক উত্তর: (ঘ) অমৃতবাজার পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন শিশির কুমার ঘোষ।

৩৬. ব্রিটিশ সরকার কোন সালে নেটিভ ম্যারেজ এক্ট চালু করে ?
(ক) 1878
(খ) 1893
(গ) 1870
(ঘ) 1872
সঠিক উত্তর: (ঘ) ব্রিটিশ সরকার ১৮৭২ সালে নেটিভ ম্যারেজ এক্ট চালু করে।

৩৭. দুর্গেশনন্দিনী - উপন্যাসটি কার লেখা ?
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) জীবনানন্দ দাশ
(গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: (গ) দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা।

৩৮. বঙ্কিমচন্দ্র কে নিম্নের কে স্বদেশিকতার ধর্মগুরু আখ্যা দেন ?
(ক) অরবিন্দ ঘোষ
(খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
(গ) দীনবন্ধু মিত্র
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর: (ক) অরবিন্দ ঘোষ বঙ্কিমচন্দ্রকে স্বদেশিকতার ধর্মগুরু আখ্যা দেন।

৩৯. 1866 সালে ব্রাহ্মসমাজ ভাগ হওয়ার পর আদি ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠা কে করেন ?
(ক) দ্বারকানাথ ঠাকুর
(খ) রামমোহন রায়
(গ) দীনবন্ধু মিত্র
(ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর: (ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর আদি ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠা করেন।

৪০. নিম্নের কে 1816 সালে সর্বপ্রথম Hinduism শব্দটি ইংরেজি ভাষায় ব্যবহার করেন ?
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(গ) স্বামী বিবেকানন্দ
(ঘ) রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর: (ঘ) রাজা রামমোহন রায় সর্বপ্রথম Hinduism শব্দটি ব্যবহার করেন।

Tuesday, 17 February 2026

February 17, 2026

17th February 2026 Current Affairs in Bengali | ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

17th February 2026 Current Affairs in Bengali

17th February 2026 Current Affairs in Bengali | ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স
17th February 2026 Current Affairs in Bengali | ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

প্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই পর্বে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর গুরুত্বপূর্ণ ১০টি কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (Current Affairs)। সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রতিদিনের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের সেটে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা এবং প্রযুক্তির সাম্প্রতিক ঘটনাবলী থেকে প্রশ্ন সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করতে সাহায্য করবে। নিয়মিত কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পেতে আমাদের সাথে থাকুন।

17th February 2026 Current Affairs in Bengali
1. GAIL-এর নতুন CMD হিসাবে নিযুক্ত হলেন কে ?
[ক] সন্দীপ কুমার গুপ্ত
[খ] বিকাশ কৌশল
[গ] দীপক গুপ্ত
[ঘ] মনোজ জৈন

2. ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে Comprehensive Urban Policy প্রণয়ন এবং অনুমোদন করলো- ?
[ক] তামিলনাড়ু
[খ] কেরালা
[গ] মহারাষ্ট্র
[ঘ] কর্ণাটক

3. কোন দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন তারেক রহমান ?
[ক] পাকিস্তান
[খ] শ্রীলঙ্কা
[গ] মায়ানমার
[ঘ] বাংলাদেশ

4. Fabiano Caruana-কে পরাজিত করে 2026 FIDE Freestyle Chess World Championship জিতলো কে ?
[ক] Nodirbek Abdusattorov
[খ] Magnus Carlsen
[গ] Hikaru Nakamura
[ঘ] Vincent Keymer

5. সম্প্রতি প্রয়াত গীতা পট্টনায়েক কোন ভাষার গায়িকা ছিলেন ?
[ক] হিন্দি
[খ] তামিল
[গ] বাংলা
[ঘ] ওড়িয়া

6. Private ISS Mission-এর জন্য NASA-এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করলো কে ?
[ক] Vast Space
[খ] SpaceX
[গ] Blue Origin
[ঘ] Axiom Space

7. দেশের দ্বিতীয় টিউলিপ গার্ডেন উদ্বোধন করা হলো কোন রাজ্যের পালামপুরে ?
[ক] উত্তরাখণ্ড
[খ] রাজস্থান
[গ] হিমাচল প্রদেশ
[ঘ] উত্তর প্রদেশ

8. দেশের প্রথম Central Bank Digital Currency based Public Distribution System-এর উদ্বোধন করলেন কোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ?
[ক] সর্বানন্দ সোনোয়াল
[খ] নরেন্দ্র মোদী
[গ] অমিত শাহ
[ঘ] অশ্বিনী বৈষ্ণব

9. ২০২৭ সালের মধ্যে কোন রোগ নির্মূল করার জন্য দেশব্যাপী MDA Campaign শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ?
[ক] ডেঙ্গু
[খ] ল্যাম্পটিক ফিলারিয়াসিস
[গ] ম্যালেরিয়া
[ঘ] টিউবারকুলোসিস

10. ভারতীয় সেনাবাহিনী আয়োজিত International Military Adventure Challenge Cup (IMACC) 2026-এ দেশ অংশগ্রহণ করবে কতগুলি বিদেশী দেশ ?
[ক] ৭টি
[খ] ১১টি
[গ] ৯টি
[ঘ] ৫টি

Also Check::

Monday, 16 February 2026

February 16, 2026

16th February 2026 Current Affairs in Bengali | ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

16th February 2026 Current Affairs in Bengali

16th February 2026 Current Affairs in Bengali | ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স
16th February 2026 Current Affairs in Bengali | ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

প্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই পর্বে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর গুরুত্বপূর্ণ ১০টি কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স (Current Affairs)। সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রতিদিনের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের সেটে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা এবং প্রযুক্তির সাম্প্রতিক ঘটনাবলী থেকে প্রশ্ন সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করতে সাহায্য করবে। নিয়মিত কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পেতে আমাদের সাথে থাকুন।

16th February 2026 Current Affairs in Bengali
1. Chang-Crandall Humanitarian Award 2026 জিতলেন কোথাকার চিকিৎসক ড. হরিপ্রিয়া অরবিন্দ এবং ড. আর. ভেঙ্কটেশ ?
[ক] মুম্বাই
[খ] দিল্লী
[গ] পুদুচেরি
[ঘ] বেঙ্গালুরু

2. GIFT City-এর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হলেন কে ?
[ক] রঘুরাম রাজন
[খ] অমিতাভ চ্যাটার্জি
[গ] উদয় কোটাক
[ঘ] মিথুন চক্রবর্তী

3. কোন ব্যাঙ্কের MD এবং CEO হিসাবে সঞ্জয় আগরওয়ালকে পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিল RBI ?
[ক] HDFC Bank
[খ] AU Small Finance Bank
[গ] State Bank of India
[ঘ] ICICI Bank

4. Global R&D Spending 2024-এ ভারতের স্থান কত ?
[ক] ষষ্ঠ
[খ] তৃতীয়
[গ] সপ্তম
[ঘ] চতুর্থ

5. Outstanding Oil & Gas Production Performance-এর জন্য FIPI Award 2025 পেল কে ?
[ক] Hindustan Petroleum Corporation Ltd
[খ] Oil India Limited
[গ] Mangalore Refinery and Petrochemicals Ltd
[ঘ] Indraprastha Gas Limited

6. ২০২৬-২৭ সালের জন্য Institute of Chartered Accountants of India (ICAI)-এর কততম প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রসন্ন কুমার ডি ?
[ক] ৭২
[খ] ৭৪
[গ] ৭১
[ঘ] ৭৩

7. First International Military Adventure Challenge Cup (IMACC) 2026-এর আয়োজন করবে কোন দেশের সেনাবাহিনী ?
[ক] যুক্তরাষ্ট্র
[খ] ভারত
[গ] চীন
[ঘ] রাশিয়া

8. Henley Passport Index (February 2026)-এ ভারতের স্থান কত ?
[ক] ৭৫
[খ] ৯০
[গ] ৭১
[ঘ] ৮১

9. কোথায় Seva Teerth Complex-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ?
[ক] চেন্নাই
[খ] বেঙ্গালুরু
[গ] নিউ দিল্লী
[ঘ] মুম্বাই

10. সম্পত্তির বিবরণের তাৎক্ষণিক ডিজিটাল যাচাইকরণ নিশ্চিত করতে জমির মালিকানার নথিতে QR কোড চালু করতে চলেছে কোন রাজ্য ?
[ক] পশ্চিমবঙ্গ
[খ] ঝাড়খণ্ড
[গ] ওড়িশা
[ঘ] বিহার

Also Check::
February 16, 2026

WB Yuba Sathi Prakalpa 2026 | বাংলার যুব সাথী প্রকল্প: মাসে ১৫০০ টাকা

Yuba Sathi Prakalpa 2026 | Yuba Sathi Prakalpa Eligibility, Documents, & How to Apply

Yuba Sathi Prakalpa 2026 | Yuba Sathi Prakalpa Eligibility, Documents, & How to Apply
Yuba Sathi Prakalpa 2026

প্রিয় বন্ধুরা,
আজকের এই পোস্টে বাংলার যুব সাথী প্রকল্প সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সকল বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আলোচনা করা হয়েছে— যুব সাথী প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী, কারা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন, কারা আবেদন করার যোগ্য নন, কীভাবে ধাপে ধাপে আবেদন করতে হবে, আবেদন করার জন্য কোন কোন প্রয়োজনীয় নথি লাগবে এবং প্রকল্পের ক্যাম্প কোথায় ও কবে বসবে। অর্থাৎ, যুব সাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজ ও স্পষ্টভাবে একত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে আবেদনকারীরা একটি স্বচ্ছ ধারণা পেতে পারেন।


বাংলার যুব সাথী প্রকল্প:

যুব সাথী প্রকল্প হলো বাংলার শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বিশেষ একটি উদ্যোগ। রাজ্যের যে সকল যুবক-যুবতী মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও এখনও চাকরি পাননি এবং কোনো স্কলারশিপ বা সামাজিক নিরাপত্তামূলক প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত নন, তাদের জন্য এই প্রকল্প। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে।

এই অর্থ সরাসরি আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। কোনো চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত এই সহায়তা প্রদান করা হবে। আগামী ১লা এপ্রিল, ২০২৬ থেকে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া শুরু হবে।

আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পে পূরণ করা দরখাস্ত গ্রহণ করা হবে। ক্যাম্পের সময়— সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। নমুনা আবেদনপত্র ক্যাম্প থেকে এবং দপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।


যুব সাথী প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করবেন:

আবেদন প্রক্রিয়া মূলত দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে— প্রথমে অফলাইন ক্যাম্পের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে।

পদ্ধতি ১: অফলাইন আবেদন (বিশেষ ক্যাম্প)

  • আপনার নির্দিষ্ট ক্যাম্পে যান।
  • আবেদনপত্র (ফর্ম) সংগ্রহ করুন।
  • ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথিসহ জমা দিন।

পদ্ধতি ২: অনলাইন আবেদন (আসন্ন)

  • মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন।
  • ব্যক্তিগত ও ব্যাঙ্ক তথ্য পূরণ।
  • প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করা।

যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনের যোগ্যতা:

কারা আবেদন করতে পারবেন:

  • পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ
  • বর্তমানে কোনো কাজ বা সরকারি/বেসরকারি চাকরিতে নিযুক্ত থাকা চলবে না।
  • আধার কার্ডের সাথে সংযুক্ত একটি সক্রিয় একক (Single) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন না:

  • পূর্ণকালীন নিয়মিত কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।
  • সরকারি কর্মচারী
  • যদি আপনি ইতিমধ্যে যুবশ্রী, বার্ধক্য/বিধবা ভাতা বা লক্ষ্মী ভাণ্ডারের মতো প্রকল্প থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

  • বয়সের প্রমাণ: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড/জন্ম সার্টিফিকেট/আধার কার্ড।
  • পরিচয় ও ঠিকানা: ভোটার কার্ড/আধার কার্ড/রেশন কার্ড।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিকের মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট।
  • ব্যাঙ্ক ডিটেইলস: আবেদনকারীর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তথ্য।
  • ছবি: পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
  • অন্যান্য: ওটিপি ও স্ট্যাটাস আপডেটের জন্য বৈধ মোবাইল নম্বর

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:

বিষয় তারিখ
আবেদন শুরু ১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আবেদন শেষ ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক সমূহ:

Description Link 
Application Form Download
Camp List Check

(FAQ)

প্রশ্ন: যুব সাথী প্রকল্পের লক্ষ্য কী?
উঃ এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করা।

প্রশ্ন: কবে থেকে বাংলার যুব সাথী প্রকল্প চালু হবে?
উঃ ১লা এপ্রিল, ২০২৬ থেকে।

প্রশ্ন: যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনের বয়সসীমা কত?
উঃ ২১ থেকে ৪০ বছর

প্রশ্ন: যুব সাথী ক্যাম্প কোথায় বসবে?
উঃ রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে এই বিশেষ ক্যাম্প বসবে।

প্রশ্ন: এই প্রকল্পে কি মেয়েরাও আবেদন করতে পারবে?
উঃ হ্যাঁ, যোগ্যতাসম্পন্ন সকল যুবক ও যুবতী আবেদন করতে পারবেন।

***বাংলার যুব সাথী প্রকল্প সম্পর্কে আপনাদের যদি কোনো প্রশ্ন, মতামত বা সংশয় থাকে, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানান। আমরা আপনাদের প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।